সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মাঠে না নেমেও সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে। গ্রুপ পর্বের সমীকরণে রোববারের ম্যাচের ফল অনুকূলে এলে শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করতে পারে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানকে হারিয়ে শুভ সূচনা করে বাংলাদেশ। তবে শুধু নিজেদের জয়ই নয়, গ্রুপের অন্য দলগুলোর ফলও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে পয়েন্ট ও গোল ব্যবধানের হিসাব নির্ধারণ করতে পারে সেমিফাইনালে ওঠার ভাগ্য।
বাংলাদেশের সামনে তাই এখন অপেক্ষার পালা। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি নজর রাখতে হবে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর ম্যাচের দিকেও। প্রয়োজনীয় ফল মিললে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের আগেই সেমিফাইনালের টিকিট পেতে পারে দল।
প্রথম ম্যাচের জয় বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস বাড়ালেও সেমিফাইনালের পথ এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। ফলে পরবর্তী ম্যাচে নিজেদের পারফরম্যান্স ধরে রাখার পাশাপাশি গোল ব্যবধানের হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
সাফের এই প্রতিযোগিতায় শেষ চারে জায়গা করে নিতে বাংলাদেশকে এখন নিজেদের সামর্থ্যের পাশাপাশি ভাগ্যের সহায়তাও নিতে হচ্ছে।
মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ করলে তিনি যত কাছের মানুষই হোন না কেন, প্রধানমন্ত্রী তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমরা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নই। সুতরাং এটা আমাদের সবার মাথায় রাখতে হবে।’ সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঝিনাইদহে পিটিআই-এর একাডেমি-কাম-প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারদলীয় এক প্রতিমন্ত্রীর মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে বিতর্ক ও পদত্যাগের ঘোষণা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে- কেউ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ করলে তিনি যত কাছের মানুষই হোন না কেন, তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তা প্রমাণ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দুর্নীতি দমন ও অর্থ পাচার রোধে আইনি কাঠামো সংস্কারের পরিকল্পনা সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এবং এর অধীন নীতিমালায় বড় ধরনের কোনো ত্রুটি দেখা যায়নি। মূল সমস্যা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায়। এ কারণে আইন বাস্তবায়ন জোরদার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা যথাসময়ে জানানো হবে। সব পরিকল্পনা আগেই প্রকাশ করলে পরিকল্পনার আর কিছু থাকে না। তবে ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে সরকার এগিয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে তাদের নির্বাচনে অংশ নিতে আইনি কোনো বাধা নেই। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিদ্যমান আইনি অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত আগের বিধানই কার্যকর থাকবে। এর আগে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, সার ডিলার নিয়োগের পর এ বিষয়ে কোনো সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তার কথা হয়নি। অনিয়ম হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি। AITV/RONY
বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, স্কুটারের সামনের নম্বর প্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার ও প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় ধরনের নম্বর প্লেটে অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার রাখতে হবে। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের নম্বর একটিমাত্র আনুভূমিক রেখায় প্রদর্শন করা যাবে। প্লেট তৈরিতে যেসব শর্ত মানতে হবে নম্বর প্লেট তৈরিতে স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করতে হবে। এর পটভূমি হবে সাদা এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বরের অক্ষর ও সংখ্যা কালো রঙে লিখতে হবে। পাশাপাশি বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নম্বর প্লেটে কোনো শোভাবর্ধক উপাদান বা অতিরিক্ত নকশা রাখা যাবে না। প্লেটের মাপ, রং, উপকরণ ও লেখার ধরন—সব ক্ষেত্রেই বিআরটিএর নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। বিআরটিএ জানিয়েছে, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বর প্লেট সংযোজন করে তা দৃশ্যমান রাখতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা পালন না করলে সংশ্লিষ্ট মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সৈকতে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির শিকার ‘টুপটুপ’ রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল। রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তার ছাড়পত্র ও ফায়ার লাইসেন্সও ছিল না। এমন তথ্য জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ। শনিবার তিনি জানান, জুন মাসে রিসোর্টটিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এরপরও সেখানে অগ্নিনিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। পর্যটন এলাকার অনেক ইকো রিসোর্ট প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বলেন, মেরিন ড্রাইভের টুপটুপ রিসোর্টের নিচতলায় খাবার তৈরি করা হতো। সেখান থেকেই দুর্ঘটনাবশত আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কার্যালয় থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে। তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পর্যটন এলাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক। স্থানীয় পর্যটন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অনুমোদনহীন রিসোর্টগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। কক্সবাজারের পর্যটন এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণ ও পরিচালনায় অগ্নিনিরাপত্তা বিধি এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিশ্চিত করার বিষয়টি এ ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে।
নির্বাচন ও সাংবিধানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ভারতের অভিনেতা ও সমাজকর্মী প্রকাশ রাজ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়েই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা করা উচিত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরপ্রদেশ থেকে শুরু করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে এ মন্তব্য করেন প্রকাশ রাজ। তিনি বলেন, “আমরা সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চাই এবং এ দেশে গণতান্ত্রিকভাবেই তা করব।” বাংলাদেশ ও নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে ভারতের পার্থক্য তুলে ধরে প্রকাশ রাজ বলেন, “আমরা নেপাল নই। আমরা বাংলাদেশ নই। আমাদের আম্বেদকর আছেন। আমাদের গান্ধী আছেন। আমাদের ভগৎ সিং আছেন। আমাদের সংবিধান আছে। আমাদের ভোট দেওয়ার অধিকার আছে।” প্রকাশ রাজের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের কণ্ঠরোধ করতে কেন্দ্রীয় সরকার শক্তি প্রয়োগ করছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সরকারের অনীহা সরকার পরিবর্তনের দাবিকে আরও জোরালো করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, “আপনারা আমাদের এমন অবস্থায় ঠেলে দিয়েছেন, কারণ আপনারা আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন না। আপনারা শক্তি প্রয়োগ করছেন।” শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবি জানানোকে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখার বিরোধিতা করেন এই অভিনেতা। তাঁর মতে, প্রশ্ন তোলা, প্রতিবাদ করা এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার। প্রকাশ রাজ বলেন, “আমরা অস্ত্রধারী নই। আমাদের অস্ত্র হলো সংবিধান। আমাদের অস্ত্র হলো প্রতিবাদ করার অধিকার।” সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
১৭ অক্টোবর, শনিবার সকালে কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে ৭ জন নিহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে বলেন, কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী সাতজনের মৃত্যু ও আরও বেশ কয়েকজনের নিখোঁজ থাকার ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। আমি এ ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, ব্যথিত ও শোকাহত। গোলাম পরওয়ার বলেন, পর্যটন নগরী কক্সবাজারের উখিয়ার এ ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত উদ্ধার এবং আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমি মহান আল্লাহর কাছে নিহত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করছি। পাশাপাশি হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, শনিবার সকাল ৮টার দিকে দুর্ঘটনাকবলিত রিসোর্টের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সব দায়িত্বশীল সংস্থাকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রিসোর্টগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব রিসোর্টের অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থাসহ সামগ্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করা প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো পর্যটক কিংবা নাগরিককে আর ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হতে না হয়।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মাঠে না নেমেও সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে। গ্রুপ পর্বের সমীকরণে রোববারের ম্যাচের ফল অনুকূলে এলে শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করতে পারে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানকে হারিয়ে শুভ সূচনা করে বাংলাদেশ। তবে শুধু নিজেদের জয়ই নয়, গ্রুপের অন্য দলগুলোর ফলও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে পয়েন্ট ও গোল ব্যবধানের হিসাব নির্ধারণ করতে পারে সেমিফাইনালে ওঠার ভাগ্য। বাংলাদেশের সামনে তাই এখন অপেক্ষার পালা। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি নজর রাখতে হবে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর ম্যাচের দিকেও। প্রয়োজনীয় ফল মিললে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের আগেই সেমিফাইনালের টিকিট পেতে পারে দল। প্রথম ম্যাচের জয় বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস বাড়ালেও সেমিফাইনালের পথ এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। ফলে পরবর্তী ম্যাচে নিজেদের পারফরম্যান্স ধরে রাখার পাশাপাশি গোল ব্যবধানের হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। সাফের এই প্রতিযোগিতায় শেষ চারে জায়গা করে নিতে বাংলাদেশকে এখন নিজেদের সামর্থ্যের পাশাপাশি ভাগ্যের সহায়তাও নিতে হচ্ছে।
আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের (এপিএল) ড্রাফটে দল পেয়েছেন বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও নাহিদ রানা। ডায়মন্ড ক্যাটাগরি থেকে সাকিবকে দলে নিয়েছে নাঙ্গাহার কসমিক। একই ক্যাটাগরি থেকে নাহিদ রানাকে দলে ভিড়িয়েছে টিম পাকতিয়া। মঙ্গলবার দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এপিএলের খেলোয়াড় ড্রাফট। এতে চারটি ক্যাটাগরিতে নিবন্ধন করেছেন বাংলাদেশের ৩০ জন ক্রিকেটার। প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড ক্যাটাগরিতে রয়েছেন পাঁচজন করে। এ ছাড়া গোল্ড ক্যাটাগরিতে ১৩ এবং সিলভার ক্যাটাগরিতে রয়েছেন সাতজন। ড্রাফটের আরও কয়েকটি ক্যাটাগরিতে খেলোয়াড় নির্বাচন বাকি থাকায় বাংলাদেশের অন্য ক্রিকেটারদেরও দল পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সিরিজের শুরুটা ছিল ভারতের দখলে। টানা তিন ম্যাচ জিতে পাঁচ ম্যাচের লড়াইয়ে এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। কিন্তু চতুর্থ ম্যাচে পাল্টা জবাব দিল নিউজিল্যান্ড। গ্লেন ফিলিপস ও মাইকেল ব্রেসওয়েলের ব্যাটে রানের পাহাড় গড়ে ভারতকে ৮৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। শুক্রবার অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৫৯ রান করে নিউজিল্যান্ড। টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের ইতিহাসে এটিই দলটির সর্বোচ্চ সংগ্রহ। ভারতের বিপক্ষেও কোনো দলের সর্বোচ্চ দলীয় রানের রেকর্ড এখন এই স্কোর। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ১৭২ রানেই থামে ভারতের ইনিংস। এই জয়ে রানের ব্যবধানে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় বৃহত্তম জয় তুলে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। চলতি বছর ইংল্যান্ডের কাছে ১২৫ রানে হেরেছিল ভারত। টি-টোয়েন্টিতে সেটিই তাদের সবচেয়ে বড় পরাজয়। অবশ্য বড় জয় পেয়েও সিরিজে স্বস্তিতে নেই কিউইরা; পাঁচ ম্যাচের লড়াইয়ে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত। শুরুতে অবশ্য খুব একটা স্বস্তিতে ছিল না স্বাগতিকেরা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই টিম সেইফার্টকে ফিরিয়ে দেন মায়াঙ্ক যাদব। দ্বিতীয় ওভারে ড্যারিল মিচেল পাল্টা আক্রমণে ঝড় তোলেন। মায়াঙ্কের ওভারের প্রথম চার বলে তুলে নেন ২০ রান। তবে শেষ বলে ইয়র্কারে এলবিডব্লিউ হয়ে তাঁর ইনিংস থামে। ফিন অ্যালেনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে ৬৭ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। ৩১ রান করে অক্ষর প্যাটেলের বলে বিদায় নেন অ্যালেন। পরে ১১তম ওভারে মায়াঙ্কের শিকার হন বেভন জ্যাকবস। ১১২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে তখন কিছুটা চাপে পড়ে কিউইরা। সেই চাপকে মুহূর্তেই উড়িয়ে দেন ফিলিপস ও ব্রেসওয়েল। পঞ্চম উইকেটে মাত্র ৪০ বলে ১১৫ রান যোগ করেন এই দুই ব্যাটার। ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ১০০ বা তার বেশি রানের জুটির মধ্যে এটিই দ্রুততম। তাঁদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়েই রেকর্ড সংগ্রহের পথে এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড।