স্বাস্থ্য

সরকারি হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহে ঘাটতি চিহ্নিত, ব্যবস্থা জোরদারে উদ্যোগ

সরকারি হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহে ঘাটতি চিহ্নিত, ব্যবস্থা জোরদারে উদ্যোগ

Admin নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0

সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ঘাটতি চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) যৌথ মূল্যায়ন দল। এসব সমস্যা সমাধানে ওষুধের সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

 ২০২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের ছয় জেলার ১৬টি সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এ মূল্যায়ন চালানো হয়। এর মধ্যে ছিল জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। খুলনা, সুনামগঞ্জ, রাজশাহী, খাগড়াছড়ি, ভোলা ও নীলফামারী জেলার প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করে ওষুধের মজুত, সংরক্ষণ, ইনভেন্টরি ব্যবস্থাপনা এবং ফার্মেসি কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।

মূল্যায়নে দেখা গেছে, ইলেকট্রনিক লজিস্টিকস ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (ইএলএমআইএস) নিয়মিত ব্যবহারে এখনো কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষিত জনবলের ঘাটতি, পাশাপাশি কাগজে ও ডিজিটাল মাধ্যমে পৃথকভাবে তথ্য সংরক্ষণের কারণে মজুতের হিসাবে অসামঞ্জস্য দেখা যাচ্ছে।

এ ছাড়া ওষুধ সংগ্রহে বিলম্ব, বাজেটের সীমাবদ্ধতা, অপর্যাপ্ত সংরক্ষণব্যবস্থা এবং পর্যবেক্ষণের দুর্বলতাকে ওষুধের ঘাটতির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, বাংলাদেশে ২০২১ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে ইএলএমআইএস চালু করা হয়েছে। বর্তমানে নয়টি পাইলট জেলার ৮৪টি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এবং কেন্দ্রীয় সরবরাহ কার্যক্রমের কিছু অংশে এ ব্যবস্থা ব্যবহৃত হচ্ছে।

মূল্যায়নের ফলাফল কাজে লাগিয়ে এ ব্যবস্থার সম্ভাব্য দেশব্যাপী সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। এ জন্য জনবলের প্রশিক্ষণ, তদারকি, ওষুধ সংরক্ষণের অবকাঠামো উন্নয়ন, ক্রয়প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতা দূর করা এবং কাগজনির্ভর প্রতিবেদন কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রয়োজনীয় ওষুধের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সঠিক তথ্য, প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী, কার্যকর ক্রয়ব্যবস্থা এবং মানসম্মত সংরক্ষণ—সবকিছুর সমন্বয় জরুরি।

Popular post
আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, অনিয়ম করলে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ করলে তিনি যত কাছের মানুষই হোন না কেন, প্রধানমন্ত্রী তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমরা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নই। সুতরাং এটা আমাদের সবার মাথায় রাখতে হবে।’ সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঝিনাইদহে পিটিআই-এর একাডেমি-কাম-প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারদলীয় এক প্রতিমন্ত্রীর মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে বিতর্ক ও পদত্যাগের ঘোষণা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে- কেউ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ করলে তিনি যত কাছের মানুষই হোন না কেন, তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তা প্রমাণ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দুর্নীতি দমন ও অর্থ পাচার রোধে আইনি কাঠামো সংস্কারের পরিকল্পনা সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এবং এর অধীন নীতিমালায় বড় ধরনের কোনো ত্রুটি দেখা যায়নি। মূল সমস্যা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায়। এ কারণে আইন বাস্তবায়ন জোরদার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা যথাসময়ে জানানো হবে। সব পরিকল্পনা আগেই প্রকাশ করলে পরিকল্পনার আর কিছু থাকে না। তবে ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে সরকার এগিয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে তাদের নির্বাচনে অংশ নিতে আইনি কোনো বাধা নেই। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিদ্যমান আইনি অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত আগের বিধানই কার্যকর থাকবে। এর আগে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, সার ডিলার নিয়োগের পর এ বিষয়ে কোনো সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তার কথা হয়নি। অনিয়ম হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি। AITV/RONY

প্লেট তৈরিতে যেসব শর্ত মানতে হবে

বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, স্কুটারের সামনের নম্বর প্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার ও প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় ধরনের নম্বর প্লেটে অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার রাখতে হবে। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের নম্বর একটিমাত্র আনুভূমিক রেখায় প্রদর্শন করা যাবে। প্লেট তৈরিতে যেসব শর্ত মানতে হবে নম্বর প্লেট তৈরিতে স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করতে হবে। এর পটভূমি হবে সাদা এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বরের অক্ষর ও সংখ্যা কালো রঙে লিখতে হবে। পাশাপাশি বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নম্বর প্লেটে কোনো শোভাবর্ধক উপাদান বা অতিরিক্ত নকশা রাখা যাবে না। প্লেটের মাপ, রং, উপকরণ ও লেখার ধরন—সব ক্ষেত্রেই বিআরটিএর নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। বিআরটিএ জানিয়েছে, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বর প্লেট সংযোজন করে তা দৃশ্যমান রাখতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা পালন না করলে সংশ্লিষ্ট মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘টুপটুপ’ রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল।

  কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সৈকতে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির শিকার ‘টুপটুপ’ রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল। রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তার ছাড়পত্র ও ফায়ার লাইসেন্সও ছিল না। এমন তথ্য জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ। শনিবার তিনি জানান, জুন মাসে রিসোর্টটিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এরপরও সেখানে অগ্নিনিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। পর্যটন এলাকার অনেক ইকো রিসোর্ট প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বলেন, মেরিন ড্রাইভের টুপটুপ রিসোর্টের নিচতলায় খাবার তৈরি করা হতো। সেখান থেকেই দুর্ঘটনাবশত আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কার্যালয় থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে। তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পর্যটন এলাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক। স্থানীয় পর্যটন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অনুমোদনহীন রিসোর্টগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। কক্সবাজারের পর্যটন এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণ ও পরিচালনায় অগ্নিনিরাপত্তা বিধি এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিশ্চিত করার বিষয়টি এ ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে।

গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে প্রকাশ রাজ

নির্বাচন ও সাংবিধানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ভারতের অভিনেতা ও সমাজকর্মী প্রকাশ রাজ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়েই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা করা উচিত।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরপ্রদেশ থেকে শুরু করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে এ মন্তব্য করেন প্রকাশ রাজ।   তিনি বলেন, “আমরা সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চাই এবং এ দেশে গণতান্ত্রিকভাবেই তা করব।”   বাংলাদেশ ও নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে ভারতের পার্থক্য তুলে ধরে প্রকাশ রাজ বলেন, “আমরা নেপাল নই। আমরা বাংলাদেশ নই। আমাদের আম্বেদকর আছেন। আমাদের গান্ধী আছেন। আমাদের ভগৎ সিং আছেন। আমাদের সংবিধান আছে। আমাদের ভোট দেওয়ার অধিকার আছে।”   প্রকাশ রাজের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের কণ্ঠরোধ করতে কেন্দ্রীয় সরকার শক্তি প্রয়োগ করছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সরকারের অনীহা সরকার পরিবর্তনের দাবিকে আরও জোরালো করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   তিনি বলেন, “আপনারা আমাদের এমন অবস্থায় ঠেলে দিয়েছেন, কারণ আপনারা আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন না। আপনারা শক্তি প্রয়োগ করছেন।”   শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবি জানানোকে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখার বিরোধিতা করেন এই অভিনেতা। তাঁর মতে, প্রশ্ন তোলা, প্রতিবাদ করা এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার।   প্রকাশ রাজ বলেন, “আমরা অস্ত্রধারী নই। আমাদের অস্ত্র হলো সংবিধান। আমাদের অস্ত্র হলো প্রতিবাদ করার অধিকার।”   সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে ৭ জন নিহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক

১৭ অক্টোবর, শনিবার সকালে কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে ৭ জন নিহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতি দিয়েছেন।   বিবৃতিতে  বলেন, কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী সাতজনের মৃত্যু ও আরও বেশ কয়েকজনের নিখোঁজ থাকার ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। আমি এ ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, ব্যথিত ও শোকাহত।   গোলাম পরওয়ার বলেন, পর্যটন নগরী কক্সবাজারের উখিয়ার এ ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত উদ্ধার এবং আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমি মহান আল্লাহর কাছে নিহত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করছি। পাশাপাশি হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।   তিনি আরও বলেন, শনিবার সকাল ৮টার দিকে দুর্ঘটনাকবলিত রিসোর্টের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সব দায়িত্বশীল সংস্থাকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রিসোর্টগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।     এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব রিসোর্টের অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থাসহ সামগ্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করা প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো পর্যটক কিংবা নাগরিককে আর ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হতে না হয়।  

স্বাস্থ্য

View more
সরকারি হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহে ঘাটতি চিহ্নিত, ব্যবস্থা জোরদারে উদ্যোগ

সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ঘাটতি চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) যৌথ মূল্যায়ন দল। এসব সমস্যা সমাধানে ওষুধের সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।    ২০২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের ছয় জেলার ১৬টি সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এ মূল্যায়ন চালানো হয়। এর মধ্যে ছিল জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। খুলনা, সুনামগঞ্জ, রাজশাহী, খাগড়াছড়ি, ভোলা ও নীলফামারী জেলার প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করে ওষুধের মজুত, সংরক্ষণ, ইনভেন্টরি ব্যবস্থাপনা এবং ফার্মেসি কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। মূল্যায়নে দেখা গেছে, ইলেকট্রনিক লজিস্টিকস ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (ইএলএমআইএস) নিয়মিত ব্যবহারে এখনো কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষিত জনবলের ঘাটতি, পাশাপাশি কাগজে ও ডিজিটাল মাধ্যমে পৃথকভাবে তথ্য সংরক্ষণের কারণে মজুতের হিসাবে অসামঞ্জস্য দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়া ওষুধ সংগ্রহে বিলম্ব, বাজেটের সীমাবদ্ধতা, অপর্যাপ্ত সংরক্ষণব্যবস্থা এবং পর্যবেক্ষণের দুর্বলতাকে ওষুধের ঘাটতির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, বাংলাদেশে ২০২১ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে ইএলএমআইএস চালু করা হয়েছে। বর্তমানে নয়টি পাইলট জেলার ৮৪টি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এবং কেন্দ্রীয় সরবরাহ কার্যক্রমের কিছু অংশে এ ব্যবস্থা ব্যবহৃত হচ্ছে। মূল্যায়নের ফলাফল কাজে লাগিয়ে এ ব্যবস্থার সম্ভাব্য দেশব্যাপী সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। এ জন্য জনবলের প্রশিক্ষণ, তদারকি, ওষুধ সংরক্ষণের অবকাঠামো উন্নয়ন, ক্রয়প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতা দূর করা এবং কাগজনির্ভর প্রতিবেদন কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রয়োজনীয় ওষুধের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সঠিক তথ্য, প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী, কার্যকর ক্রয়ব্যবস্থা এবং মানসম্মত সংরক্ষণ—সবকিছুর সমন্বয় জরুরি।

Admin নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৬৭৪

৭ নভেম্বর আধিপত্য ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার বিজয়ের দিন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

কোলন পরিষ্কার রাখতে ঘরোয়া যত্ন

নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার

  নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, এসব মিডওয়াইফ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নারীদের স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের প্রাথমিক শনাক্তকরণ, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদানে ভূমিকা রাখবেন। মন্ত্রী আজ নরসিংদীর মনোহরদী সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অসহায় ও দুস্থ মহিলা, কর্মজীবী নারী ও জিপিএ ৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এ লক্ষ্যে স্তন ক্যান্সার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাউন্সেলিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে সরকার ইতোমধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি চালু করেছে। নারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও জানান তিনি৷  আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও দেশের সার্বভৌমত্ব প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের অনেক বন্ধু থাকবে, কিন্তু কোনো প্রভু থাকবে না। আমাদের দেশ আয়তনে ছোট হতে পারে, কিন্তু ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের গুরুত্ব অনেক। বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটির ওপরও কারও প্রভুত্ব মেনে নেওয়া হবে না। দেশের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহামুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বেলাব উপজেলা নির্বাহী অফিসার লাইলাতুল হোসেন, মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর বাদশা, মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, যুগ্ম আহবায়ক মনিরুজ্জামান মনির,  পৌর বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাড আব্দুল হান্নান মিয়া,  উপজেলা বিএনপির সদস্য গোলাম মোস্তফা,  উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান সোহাগসহ প্রমুখ। পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রী ৩০০ জনের মাঝে সেলাই মেশিন ও ফলজ বৃক্ষ বিতরণ করেন।

Admin অক্টোবর ৩০, ২০২৬ 0

0 Comments