শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগ ঘিরে অভিনেত্রী তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর মধ্যকার বিরোধ নতুন মোড় নিয়েছে। দুই অভিনেত্রীর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ। এ সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন তানজিন তিশা। একই সঙ্গে গত এক বছরে তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন বিতর্ক নিয়েও কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজ থেকে প্রায় ২৫ মিনিটের লাইভে অংশ নেন তিশা। এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণার কারণে শিল্পীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিশা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণা শিল্পীদের সমালোচিত করে তোলে। যারা কাজের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে চান, তাদের জন্য এ ধরনের পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়ে। কাজ করতে গিয়ে সহশিল্পীদের সঙ্গে মতের অমিল কিংবা বিরোধ হতে পারে। তবে সেটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলে কারও ক্যারিয়ারের ক্ষতি করা উচিত নয় বলে মনে করেন তিনি।
গত এক বছরে তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন বিতর্ক প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিশা। আলোচিত ‘শাড়ি-কাণ্ড’-এর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘গত এক বছরে অনেক কিছু দেখলাম, শাড়ি-কাণ্ডও দেখলাম। আজ হোক বা কাল, সবকিছু সবার সামনে আসবে। আমি শুধু সেই দিনের অপেক্ষায় আছি।’
সামিয়া অথৈর সঙ্গে শুটিং সেটে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রসঙ্গে তিশা জানান, ‘পুতুলের বিয়ে’ নাটকের শুটিংয়ে তাদের মধ্যে যে বিরোধ হয়েছিল, সেটির প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন সেটে উপস্থিত অন্য শিল্পী ও কলাকুশলীরা।
নাটকটিতে মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিশা। তার দাবি, সংশ্লিষ্ট দৃশ্যটি দেখলেই সেদিনের ঘটনা সম্পর্কে দর্শকেরা ধারণা পাবেন। দৃশ্যটি সম্পাদনা করে পরিবর্তন করা হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। নির্যাতনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিশার বক্তব্য, নাটকের দৃশ্য দেখলেই কে কীভাবে অভিনয় করেছেন এবং সেখানে কী ঘটেছিল, তা বোঝা যাবে।
অভিনয়শিল্পী সংঘের সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়েও লাইভে কথা বলেন তিশা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বৈঠকে দুই অভিনেত্রীকে ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দেওয়ার পাশাপাশি একটি ভিডিও বার্তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়নি।
তিশা বলেন, সামিয়া অথৈ ভিডিও বার্তা জমা দেননি। তিনিও ব্যক্তিগত কারণে তা দিতে পারেননি। এরপর নোটিশ অমান্যের অভিযোগে তাকে সদস্যপদ স্থগিতের চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানান এই অভিনেত্রী।
উল্লেখ্য, গত ৩ মার্চ মানিকগঞ্জে পরিচালক রাফাত মজুমদারের একটি নাটকের শুটিং চলাকালে তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। ওই দিন ফেসবুক লাইভে এসে তিশার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তোলেন সামিয়া অথৈ। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তিশার দাবি ছিল, নাটকের চিত্রনাট্য ও চরিত্রের প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দৃশ্য ধারণ করা হয়েছিল।
দুই অভিনেত্রীর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও অভিযোগের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া বিরোধ এবার গড়িয়েছে অভিনয়শিল্পী সংঘের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত পর্যন্ত। সদস্যপদ স্থগিতের পর তিশার এই লাইভ বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ করলে তিনি যত কাছের মানুষই হোন না কেন, প্রধানমন্ত্রী তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমরা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নই। সুতরাং এটা আমাদের সবার মাথায় রাখতে হবে।’ সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঝিনাইদহে পিটিআই-এর একাডেমি-কাম-প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারদলীয় এক প্রতিমন্ত্রীর মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে বিতর্ক ও পদত্যাগের ঘোষণা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে- কেউ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ করলে তিনি যত কাছের মানুষই হোন না কেন, তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তা প্রমাণ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দুর্নীতি দমন ও অর্থ পাচার রোধে আইনি কাঠামো সংস্কারের পরিকল্পনা সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এবং এর অধীন নীতিমালায় বড় ধরনের কোনো ত্রুটি দেখা যায়নি। মূল সমস্যা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায়। এ কারণে আইন বাস্তবায়ন জোরদার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা যথাসময়ে জানানো হবে। সব পরিকল্পনা আগেই প্রকাশ করলে পরিকল্পনার আর কিছু থাকে না। তবে ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে সরকার এগিয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে তাদের নির্বাচনে অংশ নিতে আইনি কোনো বাধা নেই। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিদ্যমান আইনি অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত আগের বিধানই কার্যকর থাকবে। এর আগে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, সার ডিলার নিয়োগের পর এ বিষয়ে কোনো সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তার কথা হয়নি। অনিয়ম হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি। AITV/RONY
বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, স্কুটারের সামনের নম্বর প্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার ও প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় ধরনের নম্বর প্লেটে অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার রাখতে হবে। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের নম্বর একটিমাত্র আনুভূমিক রেখায় প্রদর্শন করা যাবে। প্লেট তৈরিতে যেসব শর্ত মানতে হবে নম্বর প্লেট তৈরিতে স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করতে হবে। এর পটভূমি হবে সাদা এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বরের অক্ষর ও সংখ্যা কালো রঙে লিখতে হবে। পাশাপাশি বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নম্বর প্লেটে কোনো শোভাবর্ধক উপাদান বা অতিরিক্ত নকশা রাখা যাবে না। প্লেটের মাপ, রং, উপকরণ ও লেখার ধরন—সব ক্ষেত্রেই বিআরটিএর নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। বিআরটিএ জানিয়েছে, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বর প্লেট সংযোজন করে তা দৃশ্যমান রাখতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা পালন না করলে সংশ্লিষ্ট মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সৈকতে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির শিকার ‘টুপটুপ’ রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল। রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তার ছাড়পত্র ও ফায়ার লাইসেন্সও ছিল না। এমন তথ্য জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ। শনিবার তিনি জানান, জুন মাসে রিসোর্টটিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এরপরও সেখানে অগ্নিনিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। পর্যটন এলাকার অনেক ইকো রিসোর্ট প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বলেন, মেরিন ড্রাইভের টুপটুপ রিসোর্টের নিচতলায় খাবার তৈরি করা হতো। সেখান থেকেই দুর্ঘটনাবশত আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কার্যালয় থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে। তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পর্যটন এলাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক। স্থানীয় পর্যটন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অনুমোদনহীন রিসোর্টগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। কক্সবাজারের পর্যটন এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণ ও পরিচালনায় অগ্নিনিরাপত্তা বিধি এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিশ্চিত করার বিষয়টি এ ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে।
নির্বাচন ও সাংবিধানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ভারতের অভিনেতা ও সমাজকর্মী প্রকাশ রাজ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়েই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা করা উচিত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরপ্রদেশ থেকে শুরু করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে এ মন্তব্য করেন প্রকাশ রাজ। তিনি বলেন, “আমরা সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চাই এবং এ দেশে গণতান্ত্রিকভাবেই তা করব।” বাংলাদেশ ও নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে ভারতের পার্থক্য তুলে ধরে প্রকাশ রাজ বলেন, “আমরা নেপাল নই। আমরা বাংলাদেশ নই। আমাদের আম্বেদকর আছেন। আমাদের গান্ধী আছেন। আমাদের ভগৎ সিং আছেন। আমাদের সংবিধান আছে। আমাদের ভোট দেওয়ার অধিকার আছে।” প্রকাশ রাজের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের কণ্ঠরোধ করতে কেন্দ্রীয় সরকার শক্তি প্রয়োগ করছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সরকারের অনীহা সরকার পরিবর্তনের দাবিকে আরও জোরালো করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, “আপনারা আমাদের এমন অবস্থায় ঠেলে দিয়েছেন, কারণ আপনারা আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন না। আপনারা শক্তি প্রয়োগ করছেন।” শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবি জানানোকে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখার বিরোধিতা করেন এই অভিনেতা। তাঁর মতে, প্রশ্ন তোলা, প্রতিবাদ করা এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার। প্রকাশ রাজ বলেন, “আমরা অস্ত্রধারী নই। আমাদের অস্ত্র হলো সংবিধান। আমাদের অস্ত্র হলো প্রতিবাদ করার অধিকার।” সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
১৭ অক্টোবর, শনিবার সকালে কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে ৭ জন নিহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে বলেন, কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী সাতজনের মৃত্যু ও আরও বেশ কয়েকজনের নিখোঁজ থাকার ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। আমি এ ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, ব্যথিত ও শোকাহত। গোলাম পরওয়ার বলেন, পর্যটন নগরী কক্সবাজারের উখিয়ার এ ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত উদ্ধার এবং আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমি মহান আল্লাহর কাছে নিহত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করছি। পাশাপাশি হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, শনিবার সকাল ৮টার দিকে দুর্ঘটনাকবলিত রিসোর্টের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সব দায়িত্বশীল সংস্থাকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রিসোর্টগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব রিসোর্টের অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থাসহ সামগ্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করা প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো পর্যটক কিংবা নাগরিককে আর ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হতে না হয়।
ভারতের আলোচিত প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের ২০০ কোটি রুপি চাঁদাবাজির মামলায় সাক্ষী হিসেবে দিল্লির আদালতে হাজির হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি। আদালতে নিজের বক্তব্যে ভারতে অবস্থানের কারণ, চেন্নাই সফর এবং সুকেশের স্ত্রী লীনা পলসের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়েও বিস্তারিত জানান তিনি। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) আদালতে উপস্থিত হয়ে নোরা জানান, টি-সিরিজের সঙ্গে কাজ করার জন্য ভিসা নিয়ে ভারতে অবস্থান করছেন তিনি। মরক্কোর বংশোদ্ভূত কানাডীয় নাগরিক নোরাকে এর আগে দুই দফা আদালতে তলব করা হয়েছিল। তবে চলতি মাসের শুরুতে তার আইনজীবী আদালতে হাজিরা থেকে অব্যাহতি চাইলে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারক। সাক্ষী হিসেবে নোরার আদালতে উপস্থিত হওয়া উচিত ছিল উল্লেখ করে আদালতের প্রতি অবহেলা না করার সতর্কবার্তাও দেওয়া হয় তাকে। সুকেশ চন্দ্রশেখর ও তার স্ত্রী লীনা পলসের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে নোরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল পুলিশ। পরবর্তী সময়ে সম্পূরক অভিযোগপত্রে তাকে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী করা হয়। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সুকেশ চন্দ্রশেখর নোরা ফাতেহি ও জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজসহ বলিউডের কয়েকজন অভিনেত্রীকে দামি উপহার দিয়েছিলেন। ২০২২ সালে নোরাকে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি উপহার দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে জানিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। উল্লেখ্য, সুকেশ চন্দ্রশেখর ভারতের অন্যতম আলোচিত প্রতারক। মাত্র ১৭ বছর বয়সে প্রতারণার জগতে পা রাখা বেঙ্গালুরুর এই বাসিন্দার বিরুদ্ধে রাজনীতি ও ব্যবসায়ী মহলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পরিচয় ব্যবহার করে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগটি ২০০ কোটি রুপি চাঁদাবাজির মামলা। অভিযোগ অনুযায়ী, ভারতের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান র্যানব্যাক্সির সাবেক মালিক শিবিন্দার সিং ও মালবিন্দার সিংয়ের স্ত্রীদের কাছ থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয়ে জামিন পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেন তিনি। অর্থ লেনদেনে হাওয়ালা চ্যানেল ও ভুয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। বর্তমানে এই মামলাসহ একাধিক প্রতারণার অভিযোগে কারাবন্দি রয়েছেন সুকেশ। আর সেই মামলার সাক্ষী হিসেবে নোরা ফাতেহির আদালতে উপস্থিতি নতুন করে আলোচনায় এনেছে বলিউডের সঙ্গে এই প্রতারণা চক্রের যোগসূত্রের বিষয়টি।
বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের ৬১তম জন্মদিন আজ ২ নভেম্বর। বিশেষ এই দিনে ভক্তদের জন্য চমক নিয়ে এসেছে তাঁর বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘কিং’। প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির রোমান্টিক গান ‘তু মিল জায়ে’। এতে শাহরুখ খানের সঙ্গে রোমান্সে মেতেছেন দীপিকা পাড়ুকোন। গানটিতে প্রেমের পাশাপাশি রয়েছে অ্যাকশন ও সাসপেন্সের ঝলক। অরিজিৎ সিং ও মধুবন্তী বাগচির কণ্ঠে গানটিতে যুক্ত হয়েছে পপ তারকা এড শিরানের র্যাপ। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন সিদ্ধার্থ আনন্দ। গানের দৃশ্যে শাহরুখ-দীপিকার রোমান্টিক মুহূর্তের পাশাপাশি দেখা গেছে রক্তক্ষয়ী অ্যাকশন ও শাহরুখের ভিন্নধর্মী লুক। এতে তাঁর চরিত্রের আন্ডারওয়ার্ল্ড ও চোরাচালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিতও মিলেছে। ‘কিং’ সিনেমায় শাহরুখ-দীপিকা ছাড়াও অভিনয় করেছেন সুহানা খান, অভিষেক বচ্চন, রানী মুখার্জি, অনিল কাপুর, জ্যাকি শ্রফ ও জয়দীপ আহলাওয়াত। আগামী ২৪ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সিনেমাটির। ১৯৯২ সালে ‘দিওয়ানা’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে যাত্রা শুরু করেছিলেন শাহরুখ। তিন দশকের বেশি সময় ধরে রোমান্টিক ও অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে গড়ে তুলেছেন কোটি ভক্তের ভালোবাসা।
অনুমতি না নিয়ে বাদীর ছবি ও মিথ্যা তথ্যের অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন নাহার তিশার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার ( ২৮ অক্টোবর) বাদী সানায়া আনাম আয়াফিকাহ চৌধুরী সুপ্রীম কোর্রটর আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায়ের মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশটি পাঠিয়েছেন। এ বিষয়ে শুভ্র সিনহা রায় জানিয়েছেন লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, বাদী বিবাদী তানজিন নাহার তিশার বিরুদ্ধে ঢাকার বিজ্ঞ সিএমএম আদালত ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছেন এবং মামলাগুলো চলমান রয়েছে। বিবাদী তানজিন নাহার তিশা বিগত ২৭/১০/২০২৬ ইং তারিখে তার রিফাইড ফেসবুক পেইজ Tanjin Tisha নামক পেইজ থেকে বাদীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি ও ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে। এছাড়াও বিবাদী তানজিন নাহার তিশা দেশের গণমাধ্যমকেও ভুলভাবে উপস্থাপন করে যাচ্ছেন। নোটিশে আরও বলা হয়েছে, বাদীকে ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর ইং বিবাদী তানজিন নাহার তিশা তাহার ফেসবুক মেসেঞ্জারে ভাইরালের হুমকি দেন। সেখানে তিশা বলেন, 'ফেমাস হইলে বইলো, আমি তোমার ছবি আপলোড করে দিবো নে।' বাদী বলেন, তিশা তারই ধারাবাহিকতায় তাহার ছবি আপনার ফেইসবুকে আপলোড দিয়ে সম্মান হানির ঘটনায় লিপ্ত রয়েছেন। নোটিশে বলা হয়েছে, তিশা ফেসবুকে লেখেন, ‘এই দুজন এক কেন? এই দুই বোনের মিলিত হয়ে ঘৃণা কেন’। বাস্তবিকভাবে বাদী ও ছবি শেয়ার করা অপর নারী কখনো বোন নয়। তিশা অপর নারীকে বোন বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্ব জায়গায় ভুল ভাবে উপস্থাপন করছেন। প্রকৃতপক্ষে বাদী একজন ফ্যাশন ডিজাইনার ও অপরজন একজন নারী উদ্যোক্তা। সেই হিসেবে তাহাদের মধ্যে পরিচয় রয়েছে। তিশা এই সম্পর্ককে নেতিবাচক হিসেবে ব্যবহার করে বাদীর মানহানি ঘটিয়ে যাচ্ছে। নোটিশে আরও বলা হয়েছে, তিশা তাহার ফেসবুক পোস্টে দুইজন মাইনরের ছবি প্রকাশ করেছেন। এগুলো ছবি প্রকাশের ক্ষেত্রে বাদীর ও শিশুর পরিবারের কোন অনুমতি নেওয়া হয়নি। যাহা সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৩ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, নোটিশ প্রাপ্তির দুই(২) দিনের মধ্যে তিশার ভেরিভাইড ফেইসবুক পেইজ থেকে বাদীর সম্বলিত সকল ছবি ও লেখা সরিয়ে ফেলতে এবং ভবিষ্যতে বাদীর কোন ছবি ফেইসবুক পেইজে প্রকাশ না করতে।অন্যথায় বাদী আইনজীবীর মাধ্যমে তিশার বিরুদ্ধে আর্থিক মানহানি এবং সাইবার ট্রাইব্যুনালসহ যেকোন আদালতে আইনি প্রতিকার নিতে বাধ্য হইবে।